সিলেটের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইন পত্রিকা : আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু ১ আগস্ট ২০১০ : আজ শনিবার 18 মে 2013



মুক্তিযুদ্ধ

আগৈলঝাড়ায় স্মরণসভায় বধ্যভূমি কেতনার বিলে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ দাবি

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা : বরিশালের আগৈলঝাড়ার কেতনার বিল বধ্যভূমিতে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৯৭১ সালের ১৫ মে উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের কেতনার বিলে বহু বাঙালিকে পাকসেনারা গুলি করে হত্যা করে; কিন্তু স্বাধীনতার ৪২ বছরেও এই বধ্যভূমিতে কোন স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়নি।

বুধবার বিকেলে উপজেলার রাংতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় হল রুমে নূর মোহাম্মদ আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হাওলাদার, ফারুক হাওলাদার, জালাল বেপারী, রনজিৎ বৈদ্য, আজিমদ্দিন হাওলাদার, চাঁদশী গ্রামের মনোজ গোমস্তা, তপন বোস প্রমুখ।

বক্তারা কেতনার বিল বধ্যভূমিতে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান।

 

ফেঞ্চুগঞ্জে ৪২ বছর পর দুই শহীদের নামে দুটি সড়কের নামকরণ হলো

ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি : স্বাধীনতার ৪২ বছর পর ফেঞ্চুগঞ্জে শহীদ আসাদুজ্জামান ও শহীদ ফয়েজ মিয়ার নামে উপজেলার দুটি সড়কের নামকরণ হয়েছে।

উপজেলা সদরের বিজয় পয়েন্ট থেকে ডাকবাংলা সড়কটিকে শহীদ আসাদুজ্জামান সড়ক ও মাইজগাঁও থেকে শাহ শহর উল্ল্যা সড়ককে শহীদ ফয়েজ মিয়া সড়ক নাম দেয়া হয়েছে।

২৭ মার্চ বুধবার সকালে সড়ক দুটির নামফলক উন্মোচন করেন সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী। এ উপলক্ষে বিজয় পয়েন্টে আয়োজিত এক সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত আলী। মাসার আহমদ শাহর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আকরাম হোসেন, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম, শহীদ পরিবারের সদস্য হাসানুজ্জামান ও মানিকুজ্জামান, ফরিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রথান শিক্ষক ময়ূব আলী প্রমুখ।

 

জয়পুরহাটে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিয়েছে জেলা পরিষদ

জয়পুরহাট সংবাদদাতা : জয়পুরহাটে জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের জেলা পরিষদ সংবর্ধনা দিয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধাকে রজনীগন্ধার স্তবক দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।

২৯ মার্চ শুক্রবার বিকালে জয়পুরহাট শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম সোলায়মান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আাবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনুপম বড়ুয়া ও বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা মীর শহীদ মন্ডল। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট মোমিন আহমেদ চৌধুরী জিপি, মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন, আফছার আলী, মুনিশ চৌধুরী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা রণাঙ্গনের স্মৃতিচারণ করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজাকারমুক্ত সুখী সুন্দর সোনার বাংলাদেশ গড়ার আহবান জানান।

 

দিনাজপুরের বিরলে গণহত্যার ২৫ শহীদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধ উদ্বোধন

তনুজা শারমিন তনু, দিনাজপুর : স্বাধীনতার ৪২ বছর পর দিনাজপুরের বিরল উপজেলার পশ্চিম রাজারামপুর গ্রামে একাত্তরের গণহত্যার শহীদদের স্মরণে স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে।

১৫ মার্চ শুক্রবার সকালে এই স্মৃতিসৌধের ফলক উম্মোচন করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক স্থানীয় সংসদ সদস্য খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

এ উপলক্ষে বিরল উপজেলার ফুলবাড়ি স্কুল মাঠে  দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোকাদ্দেস হোসেন বাবলু, দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি চিত্ত ঘোষ, বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসহাক আলী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম।

অনুষ্ঠানে গণহত্যায় স্বামীহারা ৮ নারীকে সন্মাননা প্রদান করা হয়।

 

জকিগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা সরফ উদ্দিন আর নেই ॥ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

জকিগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি : বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বাহার আল রাজীর বড়ভাই জকিগঞ্জ উপজেলার কাজলসার ইউনিয়নের আটগ্রাম রায় গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা সরফ উদ্দিন (৬২) ১২ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় ঢাকায় বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)।

পরদিন বেলা ২টায় জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লাশ দাফন করা হয়।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ভাইবোন ও অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

মুক্তিযোদ্ধা সরফ উদ্দিনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্য হাফিজ আহমদ মজুমদার, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুক উদ্দিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাকিম হায়দর, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার খলিল উদ্দিন, ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল মোতালেব, প্রেসক্লাব সভাপতি আবদুল মালেক, সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের চৌধুরী, সাংবাদিক শ্রীকান্ত পাল, আল মামুন, অপূর্ব পাল, রিপন আহমদ, রহমত আলী হেলালী প্রমুখ।

 

মুক্তিযোদ্ধা নীরেন্দ্র চন্দ্র দেবের পরলোকগমন ॥ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য

altমুক্তিযোদ্ধা নীরেন্দ্র চন্দ্র দেব (ছানা বাবু) আর নেই। ২৪ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সিলেট মহানগরীর খুলিয়াটুলাস্থ নিজ বাসভবনে বক্ষব্যাধি জনিত রোগে দীর্ঘদিন ভুগে তিনি পরলোক গমন করেন।

মুক্তিযুদ্ধের ৪নং সেক্টরে নীরেন্দ্র চন্দ্র দেব যুদ্ধ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ১ মেয়ে রেখে গেছেন। ওইদিন বিকাল ৩টায় চালিবন্দরস্থ মহাশশ্মানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষ কৃত্যানুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

নীরেন্দ্র চন্দ্র দেবের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সিলেট জেলা ইউনিটের কমান্ডার মো. সামছুদ্দোহা, ডেপুটি কমান্ডার লুৎফুর রহমান লেবু, বেলায়েত হোসেন খান, সাংগঠনিক কমান্ডার তোতা মিয়া, জেলা মুক্তিযোদ্ধা বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. সমছু মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মনাফ খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভবতোষ রায় বর্মণ রানা, সিলেট সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের কমান্ডার মখলিছুর রহমান প্রমুখ।

 

জকিগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মোজাম্মিল আলী আর নেই ॥ শোক প্রকাশ

জকিগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি : জকিগঞ্জের প্রবীণ সাংবাদিক মুক্তিযোদ্ধা গাজী মোজাম্মিল আলী আার নেই। ২৭ ডিসেম্বর ভোর ৬টায় উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের পূর্ব মানিকপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)।

তিনি জাকের পার্টির জকিগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি ছিলেন।

গাজী মোজাম্মিল আলী দীর্ঘদিন থেকে দুরারোগ্য ক্যান্সারে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ ছেলে ও ২ মেয়ে রেখে গেছেন।

ওইদিন বিকাল সাড়ে ৪টায় মরহুমের বাড়ি সংলগ্ন মাঠে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে মরদেহ দাফন সম্পন্ন হয়।

তার মৃত্যুতে সংসদ সদস্য হাফিজ আহমদ মজুমদার, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুক উদ্দিন আহমদ ও জকিগঞ্জ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্টজনরা গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

 

ছাতকে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করলেন মুক্তিযোদ্ধারা

altপ্রতিনিধি, ছাতক (সুনামগঞ্জ) : ছাতকে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ ডিসেম্বর দুপুরে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ভাতগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযুদ্ধের প্রবাসী সংগঠক গিয়াস মিয়ার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গিয়াস মিয়ার সভাপতিত্বে ও মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আমীনের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক। বিশেষ অতিথি ছিলেনর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম আম্বিয়া মাজকুর পাবেল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আইনুর আক্তার পান্না, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবরু মিয়া তালুকদার, আহবায়ক লুৎফুর রহমান সরকুম, আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ আহমদ, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কদর মিয়া, আফজাল আবেদীন আবুল, আওলাদ আলী মাস্টার, সুন্দর আলী, বিল্লাল আহমদ ও মুর্শেদ চৌধুরী।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আনোয়ার রহমান তোতা মিয়া, ডেপুটি কমান্ডার স্বরাজ কুমার দাস, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, পৌর কমান্ডার অজয় ঘোষ, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাইয়ুম, রবীন্দ্রনাথ মিন্টু ও সিরাজ উদ্দিন।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ডের আবু শামীম, সাইফুল ইসলাম, এমদাদ হোসেন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। 

 

তিনদিনের সম্মুখ যুদ্ধ শেষে হিলির মুহাড়াপাড়া মুক্ত করেন মুক্তিযোদ্ধারা

তনুজা শারমিন তনু, দিনাজপুর : একাত্তরে মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তি বাহিনীর মরণপণ সম্মুখযুদ্ধ হয় দিনাজপুরের হিলির মুহাড়াপাড়ায়। একটানা তিনদিন চলে এ লড়াই। শেষপর্যন্ত পর্যুদস্ত হয়ে পিছু হটে পাকিস্তানি সৈন্যরা। মুক্ত হয় গুরুত্বপূর্ণ এই জনপদ। সেদিন ছিল ১১ই ডিসেম্বর,যেদিন প্রিয় পতাকা উড়িয়ে মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ঘোষণা করেন। 

পাক হানাদার বাহিনীর শক্ত ঘাঁটি ছিলো ভারতের সীমান্ত ঘেষা হিলির মুহাড়াপাড়ায়। সেখানে আক্রমণের উদ্দেশ্যে ভারতীয় ৩টি রেজিমেন্ট ও ক্যাপ্টেন আনোয়ারের নেতৃত্বে মুক্তি বাহিনী ৯ ডিসেম্বর বাসুদেবপুর বিজিবি (তখনকার ইপিআর) ক্যাম্পের পাশ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এরপর মিত্র বাহিনী ও মুক্তি বাহিনী মুহাড়াপাড়ায় পৌঁছে পশ্চিমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে মিত্র বাহিনী ও মুক্তি বাহিনীর ৩শ ৪৫ জন বীর শহীদ হন। অন্যদিকে  পাক হানাদার বাহিনীর নিহত হয় কমপক্ষে ১০ জন জাঁদরেল সেনা কর্মকর্তাসহ ৫০ জন সৈনিক। এছাড়া উভয় দিকে কমপক্ষে ১ হাজার ৪শ জন আহত হয়।

এ রণাঙ্গনেই মুক্তিযোদ্ধাদের এয়ার সাপোর্ট দেয় মিত্র বাহিনী। মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিতে সেই ভয়াবহ যুদ্ধ অম্লান হয়ে আছে।

স্বাধীনতার ৪১ বছর পর এখানে নির্মিত হয়েছে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ। স্থানীয় প্রশাসন যুদ্ধের স্মৃতি ধরে রাখারও উদ্যোগ নিয়েছে।

 

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহর শাহাদৎ বার্ষিকী ১০ ডিসেম্বর

এম. শিমুল খান, খুলনা : ১০ ডিসেম্বর শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহর ৪১তম শাহাদৎ বার্ষিকী।

মহান মুক্তিযুদ্ধে খুলনাকে শত্রুমুক্ত করতে পাকিস্তানি নৌঘাঁটি তিতুমীরের দখল নিতে ৭ ডিসেম্বর মুক্তিকামী নৌসেনারা নেভাল জেটি হলদিয়া থেকে তিনটি রণতরী বিএনএস পদ্মা ও পলাশ এবং আইএনএস পানভেল (ভারতীয়) নিয়ে বাংলাদেশের জলসীমায় যাত্রা শুরু করেন।

মংলা বন্দরসহ বিভিন্ন এলাকা শত্রুমুক্ত করে ১০ ডিসেম্বর ভোরে খুলনা অভিমুখে রওনা হন রণতরী তিনটির বীর যোদ্ধারা। রণতরী বহরে ছিল প্রথমে ভারতীয় জাহাজ পানভেল, মাঝে পলাশ ও শেষে পদ্মা। একই গতিতে এগুতে থাকে যুদ্ধযানগুলো। দুপুর ১২টার দিকে জাহাজ তিনটি খুলনার শিপইয়ার্ডের অদূরে পৌঁছলে ভুল সিগনালের কারণে মিত্র বাহিনীর যুদ্ধ বিমানের নিক্ষিপ্ত বোমায় পলাশ ও পদ্মা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে আংশিক বিধ্বস্ত পদ্মার ইঞ্জিন বিকল হয়ে নদীর চরে আটকা পড়ে এবং পলাশে আগুন ধরে যায়। এ সময় জীবন বাঁচাতে অনেকে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন; কিন্তু পলাশের ইঞ্জিনরুম আর্টিফিশিয়ার (চিফ ইআরএ) রুহুল আমিন অগ্নিদগ্ধ রণতরী পলাশ ও বিপন্ন মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজেই শহীদ হন। এই বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে তাকে পরে তিনি বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভুষিত করা হয়।

ওইদিন আরো শহীদ হন বীর বিক্রম মহিবুল্লাহ, নৌসেনা ফরিদ উদ্দীন, আখতার উদ্দীন, দৌলত হোসেন ও নৌকমান্ডো মো. রফিকসহ ১০ জন। এলাকার মানুষ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন ও বীর বিক্রম মহিবুল্লাহসহ শহীদদের মরদেহ রূপসা নদীর পূর্ব তীরে সমাহিত করেন।

 
<< শুরু < পূববর্তী 1 2 পরবর্তী > শেষ >>

JPAGE_CURRENT_OF_TOTAL

সবিশেষ


  • সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় 'মহাসেন' শেষপর্যন্ত দুর্বল হয়েই ১৬ মে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ অতিক্রম করেছে। এতে আশংকা অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। মারা গেছে ১৫ থেকে ২০ জন। উপকূলীয় অঞ্চলে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থ ফিরে আসছে। চালু হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর এবং চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ও কক্সবাজার বিমান বন্.....

অনলাইন সংযোগ 65983+

PL Software SolutionPL Software SolutionPL Software SolutionPL Software SolutionPL Software SolutionPL Software Solution
mod_vvisit_counterআজ86
mod_vvisit_counterগতকাল349
mod_vvisit_counterএসপ্তাহ2965
mod_vvisit_counterগতসপ্তাহ3835
mod_vvisit_counterএমাস8208
mod_vvisit_counterগতমাস10758
mod_vvisit_counterমোট329659

২০১৩ পাঠজরিপ 2541+

ছন্দকথা

  

পরিচালনা পরিষদ : আল-আজাদ, রনক আহমদ চৌধুরী, মো. আরজু হোসেন, বশির আহমদ জুয়েল, কাসমির রেজা, সুরঞ্জিত বর্মণ ও মঈন উদ্দিন আহমদ খোকন।
সম্পাদক : আল-আজাদ, মোবাইল নম্বর : +৮৮০১৭১১৩৩৫২৫০। তথ্য-প্রযুক্তি সমন্বয়ক : শাহাবুদ্দিন শুভ, মোবাইল নম্বর : +৮৮০১৭১৬১৫৯২৮০।

Copyright : Bangla Media Group Email : bnewsup@gmail.com Web : www.banglanewsupdate.com  

 

Powered by PL Software Solution.