সিলেটের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইন পত্রিকা : আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু ১ আগস্ট ২০১০ : আজ রবিবার 19 মে 2013



কৃষিকথা

কমলগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের মাঝে বিনামূল্যের সার বিতরণ

altকমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা : কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের খরিপ-১ উফশী আউশ ধান চাষে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের মধ্যে বিনামূল্যের সার বিতরণ করা হয়েছে।

১৪ মে মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই সার বিতরণ করেন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. শফিকুর রহমান, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রনধীর সিংহ।

পরানধর ও হরিস্মচরন গ্রাম নিয়ে গঠিত ১নং ওয়ার্ডের ৪০ জন কৃষকের প্রত্যেককে ২০ কেজি করে ইউরিয়া, ১০ কেজি করে এমওপি, ১০ কেজি করে টিএপি, ৫ কেজি করে বীজ ও নগদ ৩০০ টাকা করে প্রদান করা হয়।

৫ মে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম. এ শহীদ কমলগঞ্জে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

 

কুমিল্লা জুড়ে ধান কাটার উৎসব ॥ সোনার ধান উঠছে কৃষকের গোলায়

মো. আলাউদ্দিন, কুমিল্লা : পুরো কুমিল্লা জুড়ে চলছে ধান কাটার ধুম। এবার জেলায় বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি। সেই হাসি মুখেই সোনার ধান গোলায় তুলছেন কৃষকরা। সবাই এখন দারুণ ব্যস্ত ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজে। দম ফেলার যেন ফুরসৎনেই।

নাঙ্গলকোট, মনোহরগঞ্জ ও লাকসামসহ বিভিন্ন উপজেলায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে ঘরে ধান তোলার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বৈরী আবহাওয়ার আশংকায় আছেন কৃষকরা। আকাশজুড়ে কালো মেঘ দেখলেই অস্বস্তিতে ভুগতে থাকেন।

এবছর লাকসামে ১০ হাজার ৮শ ৮৭ হেক্টর আবাদি জমির মধ্যে ৯ হাজার ৯শ ১০ হেক্টর এবং মনোহরগঞ্জে ১০ হাজার ৪শ হেক্টর আবাদি জমির মধ্যে ১০ হাজার ১শ ৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে।

লাকসাম উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, এবছর প্রতি একর জমিতে ৩.৮০ মেট্রিক টন উফশী ও ৪.৭০ মেট্রিক টন হাইব্রিড ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মনোহরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, এবছর উপজেলা থেকে ৬৭ হাজার ৪২ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

সরকারিভাবে সার, বীজ, কীটনাশক ও মাঠ পর্যায়ে পরামর্শের কারণে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা প্রকাশ করছেন কৃষকরা। কৃষকের সাথে কথা বলে জানা যায়, শেষ মুহূর্তে প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন কালবৈশাখী ঝড় ও অধিক বৃষ্টিপাতের কারণে ইরিধান বিনষ্ট হওয়ার আশংকা থাকে।

লাকসাম উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা মহিন উদ্দিন মজুমদার ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম গোলাম সরওয়ার জানান, এবার বোরো ধানের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ শুধু নয়-বাম্পার ফলনেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

 

শক্তি-২ জাতের ধানের বাম্পার ফলন ॥ খুলনার পাইকগাছায় মাঠ দিবস

খুলনা সংবাদদাতা : খুলনার পাইকগাছায় ব্র্যাক কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের আওতায় শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৯ মে সকাল ১১টায় দক্ষিণ সলুয়ায় ব্র্যাকের উপজেলা ব্যবস্থাপক সুজয় কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার বিভাস চন্দ্র সাহা। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের হিসাব কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অরুণ কুমার পাল, প্রোগ্রাম অর্গানাইজার গোলজার রহমান, রিনা আক্তার, ফিল্ড অর্গানাইজার ফিরোজ আলী, টেকনিক্যাল এসিস্ট্যান্ট আকাইদ হোসেন, তন্ময় মন্ডল, কৃষক সুবীর দাশ, সঞ্জয় দাশ ও দেবব্রত ঘোষ।

অনুষ্ঠানে ৪৬ জন আমন্ত্রিত কৃষককে ২শ টাকা করে সম্মানিভাতা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ১৪৭.৭৫ একর জমিতে চলতি বোরো মৌসুমে আবাদকৃত হাইব্রিড শক্তি-২ জাতের ধান একর প্রতি ১১৬ মণ উৎপন্ন হয়েছে।

 

দেশের কোন খাদ্য গুদাম এখন আর খালি নেই : কমলগঞ্জে চিফ হুইপ

altশাহীন আহমেদ, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) : জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, মহাজোট সরকার কৃষি বান্ধব সরকার। কৃষকদের ডাটাবেজ তৈরি করা বর্তমান সরকারের অন্যতম সাফল্য। সরকারের সহায়তায় কৃষিতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। কৃষকদের সার্বিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য সরকার সবকিছু করছে বলেই উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশের কোন খাদ্য গুদাম এখন আর খালি নেই।

৫ মে বিকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে খরিপ-১ উফশী আউশ ধান চাষে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ, সার ও সেচ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, সকল কৃষককে জমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কোন জমি পতিত রাখলে চলবে না। বেশি করে ফলজ গাছ লাগাতে হবে। কমলগঞ্জের দুঃখ ধলাই নদীকে সম্পদে পরিণত করতে হবে।

বিস্তারিত পড়ুন
 

খুলনায় নমুনা ভিত্তিক শস্যকর্তন কৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

খুলনা সংবাদদাতা : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উদ্যোগে রূপসা খামারবাড়িতে ধানের উৎপাদনশীলতা নির্ণয়ে নমুনা ভিত্তিক শস্যকর্তন কৌশল বিষয়ে দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

২৯ এপ্রিল সোমবার প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ খুলনার উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুল আজিজ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শস্য উৎপাদন বিশেষজ্ঞ শেখ মো. শহীদুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন আঞ্চলিক পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তথ্য প্রকাশ করা হয়, কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে এদেশে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপন্ন হয়। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা পূরণ, খাদ্য নিরাপত্তা বিধান তথা বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম ধান উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে ধান উৎপাদন ও এর সঠিক হিসাব নিরূপণের গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের ১৫ কোটির অধিক মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। তাই দেশের বিশাল খাদ্য চাহিদা যথাযথভাবে নিরূপণের লক্ষ্যে ধানের উৎপাদন হিসাব নির্ণয় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর ধানের উৎপাদনের সঠিক পরিসংখ্যানের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সমন্বিত পরিসংখ্যান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কর্মশালায় খুলনা জেলার  পরিসংখ্যান ব্যুরো ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপজেলা পর্যায়ের ৩৪ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশ নেন।

খুলনা বিভাগের খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও কুষ্টিয়া জেলায় অনুরূপ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 

বিদ্যুৎ সংকট ও খরার কারণে চুনারুঘাটে চা উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আংশকা

আবুল কালাম আজাদ, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) : গতবছর আশাতীত উৎপাদন হলেও এবার বিদ্যুৎ সংকট ও খরার কারণে চুনারুঘাটের লস্করপুর ভ্যালির ১৭টি চা বাগানে উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

বিদ্যুতের ঘন ঘন লোড শেডিংয়ের কারণে চলতি মৌসুমের প্রথম মাসেই এসব বাগানে চা উৎপাদন কমে গেছে। তারউপর নিজস্ব জেনারেটর চালিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ যতটা সম্ভব চালু রাখতে গিয়ে চা বাগান কর্তৃপক্ষকে প্রতিমাসে অতিরিক্ত ব্যয় করতে হচ্ছে ৬০ লাখ থেকে ৭০ লাখ টাকা। এ অবস্থায় প্রতি কেজি চায়ের উৎপাদন খরচও দিন বেড়ে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মৌসুমের শুরুতেই লস্করপুর ভ্যালির চা বাগানগুলো খরার কবলে পড়ে। এতে ১৭টি চা বাগানের মধ্যে অধিকাংশ বাগানের চা গাছে দেখা দিয়েছে রেড স্পাইডার ও হেলোফেলটিস রোগ। প্রতিবছর মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কে চা উৎপাদনের মৌসুম ধরা হয়; কিন্তু এ মৌসুমের দেড়মাস পেরিয়ে গেলেও গাছে পাতা বা কুঁড়ি গজিয়েছে সামান্যই। বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় গাছে কুঁড়ি আসছে না।

বিস্তারিত পড়ুন
 

ঠাকুরগাঁওয়ে দিগন্ত জুড়ে সবুজের সমারোহ ॥ বাম্পার ফলন আশা কৃষকদের

মোকাদ্দেস হায়াত মিলন, ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাও জেলার বিস্তুীর্ণ মাঠ জুড়ে এখন সবুজের সমারোহ। যতদূর চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। এ সবুজ কৃষকদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলা শ্রমে উৎপাদিত ফসলের মাঠের। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং কোন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে বোরোর বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পীরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে ১৪ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষেমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে, এজন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের নিরুৎসাহিত করছে।

মাঠ পর্যায়ে থাকা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা আইপিএম (সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থাপনা) ও আইসিএম (সমন্বিত শস্য ব্যবস্থাপনা) ক্লাবের মাধ্যমে আলোক ফাঁদ এবং বোরো ক্ষেতে কঞ্চি ও গাছের ডাল পুঁতে পোকামাকড় নিধনে কৃষকদের বিভিন্ন রকম কৌশল শিখিয়ে দিচ্ছেন।

রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করার ফলে ফসলের অবস্থা ভালোই দেখা যাচ্ছে। এতে ফলনও আশানুরূপ হবে বলে কৃষকরা জানান। যেখানে বিদ্যুৎ নেই সেখানে মশাল কিংবা হ্যারেকিন দিয়ে আলোর ফাঁদ পাতা হচ্ছে। এছাড়াও আইপিএম ও আইসিএম ক্লাবের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে  কৃষি কাজের নতুন নতুন কৌশল। ফলে এবার লক্ষ্যমাত্রা থেকে বেশি ধান উৎপাদন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

ঠাকুরগাও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ পরিচালক মো. বেলায়েত হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে।

 

ছাতকে ঝিঙ্গা ধরেছে মাত্র ১৬ দিন বয়সী একটি গাছে

altছাতক (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা : ছাতক উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাজিহাটা গ্রামে মাত্র ১৬ দিনের একটি গাছে ঝিঙ্গা ধরার ঘটনায় এলাকা জুড়ে ব্যাপক কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রামের মৃত জমশেদ আলীর স্ত্রী জরিনা বিবি নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় ঝিঙ্গা গাছটি রোপন করেন।

তিনি জানান, মাত্র ১৬ দিনের মাথায় এই গাছেই ঝিঙ্গা ধরতে দেখা যায়। এ দৃশ্য দেখতে এলাকার লোকজন জরিনা বিবি বাড়িতে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হাসমত উল্লাহ জানান, ১৬ দিনের গাছে ঝিঙ্গা ধরতে পারেনা। ভাল হাইব্রিড টেগার নাটকি বীজ হলে ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে ঝিঙ্গা ধরতে পারে।

 

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে লিচু ও আমের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা : পলাশবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এবার লিচু ও আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে সব বাগান। মুকুল আসার সময় কুয়াশা ছিল না। আবহাওয়া ছিল অনুকূল। তাই বাগান মালিকরা বাম্পার ফলনের আশা করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৩শ আম বাগান ও ৪শ লিচুর বাগান রয়েছে। বিভিন্ন বাগান ঘুরে দেখা গেছে, মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ আর ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে চারদিক। আম ও লিচু সরিষা দানার মতো হয়ে গেছে।

আমের জাতগুলো হচ্ছে আমরূপালী, মল্লিকা, ফজলি, লেংড়া ও গোপাল ভোগ। আমচাষি আব্দুর রউফ জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে নিজেদের এলাকার চাহিদা মিটিয়ে বাইরেও সরবরাহ করা যাবে।

বাগান মালিকরা জানান, একবছর খারাপ ফলন হলে পরবর্তী বছর ফলন ভালো হয়। গতবছর আমের ফলন খারাপ ছিল। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় গুটিগুলো আগাম ঝরে গিয়েছিল।

অন্যদিকে গতবছরের মতো এবারও লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। লক্ষীপুর লিচু বাগানের মালিক আশরাফুল তার তিনটি বাগান থেকে ২৫ লাখ টাকার লিচু জেলার বাইরে সরবরাহ করেছেন। অনেক বাগান মালিক মুকুল আসার শুরুতেই আগাম ফলন বিক্রি করে দিয়েছেন।

কৃষি কর্মকর্তা শওকাত ওছমান জানান, যে পরিমাণ লিচুর মুকুল ও ফলন দেখা দিয়েছে তাতে কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটলে বাগান মালিকগণ অধিক লাভবান হবেন।

 

কৃষি-মৎস্য-পল্ট্রি-ডেয়ারি খামার পেশাজীবী সম্মিলিত পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

কৃষিজীবী, মৎস্যজীবী, পল্ট্রি ও ডেয়ারি খামার পেশাজীবী পরিষদের এক মতবিনিময় সভা ২৩ শে মার্চ শনিবার সকাল ১১টায় সিলেট কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন মৎস্যজীবী নেতা সুসেন্দ্র চন্দ্র নমঃ খোকন। বক্তব্য রাখেন মফাজ্জুল হোসেন, ইকবাল হোসেন চৌধুরী, মো. ওয়াহিদুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন, অজিত কুমার চন্দ, মো. আজির উদ্দিন মাহি ও মো. ময়না মিয়া।

সভায় সদ্য প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সংগঠনের নেতা প্রয়াত কৃষক মো. আবদুল হান্নানের স্মৃতির প্রতিও একমিনিট দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পেশাজীবীদের সমস্যাবলী নিরসন কল্পে ঐক্যমত পোষণ করে এ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এর আহবায়ক সুসেন্দ্র চন্দ্র নমঃ খোকন, সদস্য সচিব প্রদীপ কুমার চন্দ এবং সদস্য মো. ময়না মিয়া, মফাজ্জুল হোসেন, ইকবাল হোসেন চৌধুরী, মো. আজির উদ্দিন মাহি ও মো. ওয়াহিদুজ্জামান।

 
আরো খবর...
<< শুরু < পূববর্তী 1 2 3 পরবর্তী > শেষ >>

JPAGE_CURRENT_OF_TOTAL

সবিশেষ


  • সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় 'মহাসেন' শেষপর্যন্ত দুর্বল হয়েই ১৬ মে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ অতিক্রম করেছে। এতে আশংকা অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। মারা গেছে ১৫ থেকে ২০ জন। উপকূলীয় অঞ্চলে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থ ফিরে আসছে। চালু হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর এবং চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ও কক্সবাজার বিমান বন্.....

অনলাইন সংযোগ 65983+

PL Software SolutionPL Software SolutionPL Software SolutionPL Software SolutionPL Software SolutionPL Software Solution
mod_vvisit_counterআজ279
mod_vvisit_counterগতকাল343
mod_vvisit_counterএসপ্তাহ279
mod_vvisit_counterগতসপ্তাহ3222
mod_vvisit_counterএমাস8744
mod_vvisit_counterগতমাস10758
mod_vvisit_counterমোট330195

২০১৩ পাঠজরিপ 2541+

ছন্দকথা

  

পরিচালনা পরিষদ : আল-আজাদ, রনক আহমদ চৌধুরী, মো. আরজু হোসেন, বশির আহমদ জুয়েল, কাসমির রেজা, সুরঞ্জিত বর্মণ ও মঈন উদ্দিন আহমদ খোকন।
সম্পাদক : আল-আজাদ, মোবাইল নম্বর : +৮৮০১৭১১৩৩৫২৫০। তথ্য-প্রযুক্তি সমন্বয়ক : শাহাবুদ্দিন শুভ, মোবাইল নম্বর : +৮৮০১৭১৬১৫৯২৮০।

Copyright : Bangla Media Group Email : bnewsup@gmail.com Web : www.banglanewsupdate.com  

 

Powered by PL Software Solution.