|
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে প্রাচীন মন্দিরের সন্ধান লাভ ॥ খনন কাজ চলছে
তনুজা শারমিন তনু, দিনাজপুর : দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে প্রাচীন মন্দিরের সন্ধান পাওয়া গেছে।
একটি প্রত্নতাত্ত্বিক দল রানীগঞ্জ বাজার থেকে এক কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে বেলোয়া গ্রামে বামন দিঘিতে এই ঐতিহাসিক নিদর্শনটি খুঁজে পয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক স্বাধীন সেনের নেতৃত্বে সেখানে অনুসন্ধান চালানো হয়। প্রত্নতাত্ত্বিক দল দিঘির পাড় খুঁড়ে ইতোমধ্যে মন্দিরের দেয়াল ও ইটের সন্ধান পেয়েছে। অব্যাহত রয়েছে খনন কাজ। শিলালিপি দেখে তা পাল আমলের বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে হিন্দু না বৌদ্ধ ধর্মাবলীদের মন্দির তা নিশ্চিত করতে আরো কমপক্ষে একসপ্তাহ লাগবে বলে অধ্যাপক স্বাধীন সেন জানিয়েছেন।
এদিকে ঐতিহাসিক নিদর্শনটি এক নজর দেখতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ছুটে আসছে।
|
|
বিস্তারিত পড়ুন
|
|
গ্রাম বাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে শিবের গাঁজন ও নীল নাচের দল
অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) : ঢাক-ঢোল, বাঁশি, কাঁশ-করতাল বাজিয়ে মাসব্যাপী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শিবের গাঁজন ও নীল পূজার শেষ দিন ৩০ চৈত্র। পূজারীরা পুরো চৈত্রমাস ব্যাপী প্রাচীন রীতি অনুসরণ করে এখনো গ্রামবাংলার মেঠোপথ পেরিয়ে দূর-দূরান্তের গ্রামে বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিবের গাঁজন গেয়ে ও নীল নাচ নেচে আবাল-বৃদ্ধ-বণিতাকে আনন্দ দিয়ে থাকেন।
এক একটি দলে রাধা, কৃষ্ণ, শিব, পার্বতী ও নারদসহ ১০-১২ দেব-দেবীর প্রতিমূর্তি সেজে সন্ধ্যা থেকে সারারাত শিবের গাঁজন ও নীল নাচ পরিবেশন করা হয়। পূজার জন্য প্রতিটি হিন্দু পরিবার নগদ অর্থ, চাল-ডাল ও অন্যান্য উপাচার প্রদান করে।
কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্রাচীন এ লোক সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্ম ভুলতে বসেছে। গ্রামের মানুষের মধ্যে এ ধরনের উৎসব উদযাপনের আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও নানা প্রতিকূলতা ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে পারছেন না। অথচ একসময় প্রতিটি গ্রামে ২-৩টি নীল নাচের দল থাকতো।
বরিশালের আগৈলঝাড়া ও উজিরপুর এবং গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া, টুঙ্গীপাড়া ও কাশিয়ানীসহ প্রত্যন্ত হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় এখনো চৈত্রমাসের শুরু থেকেই শিবের গাঁজন ও নীল নাচনের শিল্পীরা উৎসব উদযাপনের জন্য বেরিয়ে পড়েন। এলাকা ভেদে বৈশাখ মাসেও এই নীল উৎসব পালন করা হয়।
উজিরপুরের কারফা গ্রামের বিমল হালদারের পরিচালনায় 'হালদার সম্প্রদায়' নামে এরকম একটি নীল নাচের দল রয়েছে। এছাড়া পশ্চিম মোল্লাপাড়া, ঐচারমাঠ, বারপাইকা, তালতারমাঠ, কাঠিরা, অশোকসেন, ভাউধর, বিলগাববাড়ি, পশ্চিম সুজনকাঠি ও কোদালধোয়াসহ বেশকিছু এলাকায় একসময় নীল নাচের দল থাকলেও এখন হাতেগোণা কয়েকটি দল কোনমতে ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে। |
|
জয়ের মালা গলায় পড়েই ছেলে ঘরে ফিরবে ॥ অপেক্ষায় ইমরানের বাবা-মা
শরিফুজ্জামান রিপন, রংপুর : মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারের মুখোমুখি যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে দেশজুড়ে গণজাগরণের প্রধান সংগঠক ডা. ইমরান এইচ সরকার জয়ের মালা গলায় পড়েই ঘরে ফিরবে। অবশ্যই বিজয় অর্জিত হবে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের, যেমনি বিজয় এসেছিল একাত্তরে। এ বিশ্বাস সময়ের এই সাহসী সন্তানের গর্বিত বাবা-মার। প্রিয় সন্তানকে উৎসর্গ করেছেন দেশের জন্যে। তাইতো বুক ফুলিয়ে বলতে পারছেন, প্রিয় জন্মভূমি রাজাকারমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতেই হবে। ওই হিংস্র হায়নাদের হুঙ্কারে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আল্লাহ সবাইকে রক্ষা করবেন।
শাহবাগ প্রজন্ম চত্ব¡রের গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ব্লগার এন্ড অনলাইন এক্টিভিস্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক ডা. ইমরান এইচ সরকার কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার বালিয়ামারীর ছেলে। তার বাবা মতিউর রহমান যখন গ্রামের বাড়িতে সাংবাদিকদের কাছে তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করছিলেন তখনো মোবাইল ফোনে সাহসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার উপদেশ দিচ্ছিলেন প্রিয় সন্তানকে। বলছিলেন, শাহবাগে জয়-বাংলার জয় হবেই হবে।
|
|
বিস্তারিত পড়ুন
|
|
|
যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে পৃথিবীর দীর্ঘতম পথচিত্র শাবিপ্রবিতে
শাবিপ্রবি প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারের মুখোমুখি যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে গণদাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা পৃথিবীর দীর্ঘতম পথচিত্র (রোড পেইন্ট) অঙ্কন করেছে।
এতে প্রকাশ করা হয়েছে নতুন প্রজন্মের মনের গভীরে লুক্কায়িত ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ভাষা। তুলে ধরা হয়েছে গণজাগরণের চেতনা এবং ১৯৪৭ সাল থেকে ২০১৩ পর্যন্ত বাঙালির দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস। গণজাগরণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে বাঙালি চেতনার যে জাগরণের সূচনা হয়েছে এ পথচিত্র তারই প্রতিফলন বলে দাবি করা হয়েছে।
পথচিত্রের রূপকাররা এক বিবৃতিতে বলেছেন, এই পথচিত্রের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের সকল মানুষকে দীর্ঘ গৌরবময় সংগ্রামের ইতিহাস রচনা করার জন্য ধন্যবাদ দিতে চাই।
|
|
বিস্তারিত পড়ুন
|
|
রঙ লেগেছে নড়াইলে ॥ শ্বশুরবাড়ি আসছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি
ফরহাদ, নড়াইল : হঠাৎ করে বদলে গেছে নড়াইল শহর। আধুনিক সাজে সাজানো হচ্ছে বিশ্ববরেণ্য শিল্পী এস. এম সুলতানের শহরটিকে। আগে কখনো এমন পরিবর্তন দেখেননি শহরবাসী। বদলে ফেলা হয়েছে নড়াইল সদরের ভদ্রবিলা ও তুলারামপুর গ্রামের দৃশ্যপটও। কারণ ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি শ্বশুরবাড়ি আসছেন।
সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও দূরত্বফলক, সেতু-ব্রিজ-কালভার্ট, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, গাছপালা, সরকারি-বেসরকারি অফিস, বিভিন্ন স্থাপনা, আবাসন-এক কথায় সবকিছুতেই পরিবর্তনের ছোঁয়া। কারোর যেন দম ফেলার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে অনেক কিছু গুছিয়েও নেয়া হয়েছে।
|
|
বিস্তারিত পড়ুন
|
|
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় : দেখা হবে বন্ধু কারণে অকারণে...
ইমাদুল হক প্রিন্স, পবিপ্রবি : হাড় কাঁপানো হিমেল হাওয়ায় হল থেকে বের হওয়া যাচ্ছিলনা। তবু দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্বশ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) দৃষ্টিনন্দন সবুজ ক্যাম্পাসে শিক্ষা সমাপনীর আনন্দে শতাধিক বিদ্যার্থীর এই হাড় কাঁপানো শীতের হিমেল হাওয়ায় হারিয়ে যাওয়া। সবাই সেজেছে একই পোশাকে। ছাত্ররা পড়েছিল অনুষদ ও ব্যাচের নাম খচিত কালো গেঞ্জি আর ছাত্রীরা কালো গেঞ্জির সাথে গলায় এবং কানে বাহাড়ি ডিজাইনের গহনা। জীবনের একটি অন্যতম অধ্যায় হিসেবে স্বর্ণাক্ষরে খচিত হলো বিদায়ের এই দিনটি। সত্যি বলতে কি, এ অনুভূতি প্রকাশ করার যে কোন ভাষা নেই।
এমনি অবস্থাতেই ছিলেন পবিপ্রবির সিএসই অনুষদের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের ৯ম ব্যাচের বিদায়ী শিক্ষার্থী রাজিব, জাহিদ, বাপ্পী, উজ্জ্বল, গোলাম মাওলা, বাপ্পা, সেতু, নীল, আজিম, রাজু, প্রদীপ, সোলায়মান, লিমন, অনিক, লোকমান, তাপস, দীপু, তরিকুল, কাদির, রাজু, মাহফুজ, আজম, নিসা, তানিয়া, দিপা, হাফসা, বীথি, সাথী, মিতু, স্বর্ণা, রাখী, রিংকি, নুসরাত ও শানু।
১৩ জানুয়ারি ২০১৩ অনুষ্ঠিত হলো সিএসই অনুষদের জমকালো আনন্দ-বেদনার শিক্ষা সমাপনী উৎসব। ভালোবাসার রঙে মন রাঙিয়ে উৎসবে মেতেছিল বিদায়ীদের সাথে ক্যাম্পাসবাসী। ছিল ভালোবাসার স্নিগ্ধ পরশ বুলানো স্মৃতিময় একটি দিন।
|
|
বিস্তারিত পড়ুন
|
|